Breaking News

ভিক্ষুক থেকে যেভাবে আজ 40 কোটির ব্যাবসায়ী হলেন, জানলে আপনিও অনুপ্রাণিত হবেন

ভালো-মন্দ, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না মিলিয়েই জীবন। গভীর রাতের পর যেমন সকাল আসে, ঘন কালো মেঘের পর যেমন সূর্যের আলো আসে ঠিক তেমনই সব খারাপের পর ভালো আসে। সব কষ্টকে জয় করার জন্য, নিজের স্বপ্নকে পূরণ করার জন্য মানুষের মধ্যে জেদ থাকলে সবই সম্ভব আজ আমরা আপনাদের এমন এক ব্যক্তির কথা বলব যিনি নিজের পরিশ্রমের মাধ্যমে সফলতার মুখ দেখেছেন।

আজ আমরা বলব 50 বছরের রেণুকা আরাধ্যের ব্যাপারে। একসময় রেণুকা তার বাবার সাথে মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। আজ নিজের চেষ্টায় 40 কোটির সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। দক্ষিণ ভারতের ব্যাঙ্গালোরের কাছে গোপসান্দ্রা নামক একটি গ্রাম থেকে আসা রেণুকা দশম শ্রেণী পাস করার পর এক বৃদ্ধ লোকের দেখাশোনার কাজ শুরু করেন। 7 বছর এই কাজ করেন তিনি।

এরপর তার বাবা তাকে একটি আশ্রমে ভর্তি করিয়ে দেন পড়াশোনার জন্য। সেই আশ্রমে সকালে ও রাতে আটটার সময় খেতে দেওয়া হত। রেণুকা ক্ষিদে সহ্য করতে পারতেন না। এইজন্য পড়াশোনাতেও মন বসত না তার। যার ফলে পরীক্ষায় অসফল হন তিনি। আর বাড়ি ফিরে যেতে হয় তাকে।

রেণুকা বাড়ি ফিরে একটি ফ্যাক্টরি তে কাজ শুরু করেন। সেখানে কাজ করার কিছু সময় পর একটি ব্যাগ কম্পানিতে কাজ পেয়ে যান। এরপর তিনি সুটকেস অ্যাটাচির কভারের ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু এই ব্যবসায় তার তিরিশ হাজার টাকার লোকসান হয়। এরপর তিনি সিকিউরিটি গার্ডের কাজ পান।

এরপর তিনি গাড়ি চালানো শেখেন ও টাকা ধার নিয়ে গাড়ি কেনেন। তিনি দেশী ও বিদেশী পর্যটকদের গাড়িতে ঘোরাতেন। এই কাজ করে বেশ ভালোই উপার্জন হচ্ছিল তার। 4 বছর এই কাজ করার পর নিজের ট্র্যাভেল এজেন্সি খোলেন তিনি। নাম দেন- “সিটি সাফারি”। এরপর একটি ক্যাব কোম্পানিও কিনে নেন তিনি। আজ 40 কোটি টাকার টার্নওভার তার কোম্পানির।

About Web Desk

Check Also

“পুষ্পা” ফিল্মের রক্ত চন্দন এর দাম জানেন কত? বিলুপ্ত এই চন্দন কীভাবে এল ফিল্মের সেটে? জানলে আপনিও চমকে যাবেন

সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে আল্লু আর্জুনের ফিল্ম “পুষ্পা”। এই ফিল্ম রক্ত চন্দনের কাঠ নিয়ে তৈরি। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.