Breaking News

রাস্তায় টেনে বৃদ্ধা মাকে মারধর করছে ছেলে, বাঁচাল পোষ্য কুকুর, ভিডিও ভাইরাল…

কুকুর মানুষের অন্যতম অনুগত প্রাণী। তারা কখনোই তার মালিকের আনুগত্য হারায় না। আপনি নিশ্চয়ই সিনেমাতে কুকুরের ভক্তি দেখেছেন কিন্তু বাস্তব জীবনেও আপনি বিশ্বস্ত প্রাণী সম্পর্কিত অনেক ভিডিও দেখতে পাবেন এমনকি একটি ভিডিও সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল অথচ এটি দেখার পর আপনার মন বিক্ষিপ্ত হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে তামিলনাড়ুর একটি শহরে এমন একটি দৃশ্য ছিল যেখানে একটি ছেলে রাস্তায় তার মাকে মা_র_ধ_র করছিলো যখন,

তখন মহিলার পোষা কুকুর তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই অসভ্য ছেলেরটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে এবং লোকেরা এটি সম্পর্কে মন্তব্য করছেন এবং খারাপ কথা বলছে অন্যদিকে কুকুরের আনুগত্যের প্রশংসা করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই মহিলাটি তার স্বামীর মৃ_ত্যুর পর তামিলনাড়ুর বাড়িতে একা থাকতেন। এই সময় তিনি তাঁর সমস্ত জমি তার ছেলেকে দিয়ে দেন এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

কিন্তু সেখানে ছেলে মায়ের দ্বিতীয় আয়কেও দখল করতে চায়। বলা হচ্ছে যে, মহিলাটি মন রে কার অধীনে মজুরি করে প্রায় তিন লক্ষ টাকা জমা করেছেন যাতে সে পরবর্তীতে ভালোভাবে জীবন-নির্বাহ করতে পারে কিন্তু সেই অর্থও ছেলেটি তার মায়ের থেকে নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল। ভিডিওটিতে আপনি দেখতে পাবেন যে লোকটি তার মাকে আ_ক্র_ম_ণ করলে মহিলাটির পালিত কুকুরটি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে কিন্তু পুত্র কুকুরের পাশাপাশি তার মাকেও আ_ক্র_ম_ণ করার চেষ্টা করে।

যত তাড়াতাড়ি কুকুরটি একটু পিছু হটে ব্যক্তিটি তার মাকে তীব্রভাবে টেনে নিয়ে যায় এবং তাকে মা_রা_র চেষ্টা করে। আসল বিষয় হলো লোকটির এই জঘন্য কাজে তার স্ত্রী ও তার পরিবারও তাকে সমর্থন করেছিল। কয়েক ঘণ্টা রাস্তায় পড়ে থাকার পরে মহিলাটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে ভিডিওটি সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হওয়ার পর তামিলনাড়ুর পুলিশ ওই ব্যক্তিটিকে গ্রে_প্তা_র করে কিন্তু তার স্ত্রী এবং তার পরিবারের লোক আপাতত পলাতক। পুলিশ তাদের খুঁজছে।

About Web Desk

Check Also

প্রথম স্ত্রী ও বাগদত্তাকে এইভাবে খু’ন করেন এই ব্যক্তি! প্রকাশ পেল এই চাঞ্চল্যকর তথ্য!

বর্তমান সময়ে সমাজ থেকে মানবিকতা যেন হারিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি পাঞ্জাবের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। যেখানে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *