Breaking News

কন্যা বিদায় বেলায় কেঁদে ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ছবি

বর্তমান এই ক’রো’না পরিস্থিতিতে বাড়িতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের সেফটির জন্য বলিউড সেলিব্রিটিরাও বাইরে না বেরিয়ে সময় কাটাচ্ছেন পরিবারের সাথেই। এমন সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলিব্রিটিদের কোন না কোন ছবি প্রতিদিন ভাইরাল হচ্ছেই। বিশেষ করে তাদের পুরনো অনেক ছবিই তাদের অনুগামীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন। অমিতাভ বচ্চনের মেয়ে শ্বেতা বচ্চন এর বিয়ের বেশকিছু ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয়।

ছবিগুলিতে জয়া বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চন কে বিভিন্ন রিচুয়াল করতে দেখা যায় একসাথে। জানিয়ে রাখি শ্বেতা বচ্চন তার বাবা অমিতাভ বচ্চনের খুব কাছের। অমিতাভ বচ্চন তার অর্ধেক সম্পত্তি শ্বেতা বচ্চন এর নামে করে দিয়েছেন। শ্বেতা বচ্চন এমন এক স্টারকিড যিনি অভিনয় জগৎ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন মাত্র 21 বছর বয়সে শ্বেতা বচ্চন বিজনেসম্যান নিখিল নন্দাকে বিয়ে করেন। বলে রাখি নিখিল নন্দা বিজনেসম্যান রাজন নন্দা ও রাজ কাপুরের মেয়ে ঋতু নন্দার সন্তান।

নিখিল নন্দা ও শ্বেতা বচ্চনের বিয়ে হয় 1997 সালে। তাদের বিয়েতে না শুধু বচ্চন পরিবার ও কাপুর পরিবারের লোকেরা সামিল হয়েছিলেন পাশাপাশি অনেক বড় বিজনেসম্যান ও সেলিব্রিটিরাও যোগদান করেছিলেন। তাদের বিয়েতে একটি ছবিতে জয়া বচ্চনকে মাথায় আঁচল দিয়ে অমিতাভ বচ্চনের সাথে কন্যা দান করতেও দেখা গেছে। আবার একটি ছবিতে দেখা গেছে মেয়েকে বিদায় দেওয়ার সময় অমিতাভ বচ্চন শ্বেতা বচ্চনকে জড়িয়ে কাঁদতে। এই ছবিটির খুব চর্চাও হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শ্বেতা বচ্চনের বিয়ের অনুষ্ঠান চারদিন ধরে হয়েছিল। মেহেন্দির অনুষ্ঠানে শ্বেতা সাদা রংয়ের লেহেঙ্গা পরেছিলেন ও সবুজ রঙের ওড়না নিয়েছিলেন। আর সংগীতের অনুষ্ঠানে ক্রিম কালারের লেহেঙ্গা পরেছিলেন শ্বেতা। প্রতিটি ছবিতেই অসামান্য সুন্দরী লাগছিল শ্বেতা কে। শ্বেতা বচ্চন এর সমস্ত পোশাক তৎকালীন সময়ে ডিজাইন করেছিলেন আবু জানি এবং সন্দীপ খসলা। শুধু শ্বেতারই নয় বচ্চন ও কাপুর পরিবারের প্রত্যেকেরই পোশাক আবু জানি এবং সন্দীপ খসলা ডিজাইন করেছিলেন।।

About Web Desk

Check Also

সৌন্দর্যের দিক থেকে দীপিকা পাডুকোনকে হার মানাবে রণবীর সিং এর বোন।

বিখ্যাত অভিনেতা রণবীর সিং তার ভিন্ন স্টাইল এবং উজ্জ্বল অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং তিনি প্রায়ই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *