Breaking News

ডোমের চাকরিতে গোল্ড মেডেলিস্ট, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকার কে তুলোধোনা নেটিজেনরা

বর্তমান এই ক’রো’না পরিস্থিতিতে অনেকেই নিজের কাজ হারিয়েছেন। আবার অনেককেই অর্ধেক বেতনের বদলে করতে হচ্ছে কাজ। যে কারনে সংসারে দেখা দিয়েছে অভাব। বরাবরই রাজ্যে চাকরি ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। এবার রাজ্যে চাকরির যে শোচনীয় অবস্থা তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই ঘটনাটি- স্নাতক স্তরে ইতিহাসে গোল্ড মেডেল পাওয়া শিবপুরের বাসিন্দা স্বর্ণালী সামন্ত বর্তমানে “এন আর এস মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল” এর ডোম পদের পদপ্রার্থী।

এই পদের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী পাস। এই নিয়ে স্বর্ণালীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান “কাজের আবার ছোট-বড় কি?” স্বর্ণালী শিবপুরে স্বামী ও সন্তান নিয়ে থাকেন। স্বামী দেবব্রত ইউবার ড্রাইভার। ক’রো’না পরিস্থিতিতে সংসার সামলাতে স্বর্ণালীকে রাস্তায় বেরিয়ে খুঁজতে হয় চাকরি। পূর্বে তিনি ডালহৌসির একটি অফিসে রিসেপসনিস্টের পদেও যুক্ত ছিলেন। অল্প বয়সে স্বর্নালীর বিয়ে হয়ে যায়।

কিন্তু পড়াশোনার মায়া ত্যাগ করতে পারেননি স্বর্ণালী। তাই স্নাতক স্তরে ইতিহাস নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন কলেজে। আর পড়াশোনার প্রতি ভালোবাসাই তাকে গোল্ড মেডেল পেতে সাহায্য করে। স্বর্ণালী জানান তিনি পূর্বে জানতেন না যে-কাজের জন্য তিনি আবেদন করছেন তা আদতে ডোম পদের। বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল “ল্যাব এটেনডেন্ট”। যদিও এই কাজের বিষয়ে সকল তথ্য সামনে আসলেও তিনি পিছিয়ে যান নি।

তিনি বলেন চিকিৎসা ক্ষেত্রে যদি মেয়েরা ডাক্তার নার্স এবং আয়া হতে পারেন তাহলে ডোম পদে যুক্ত হতে লজ্জার কিছুই নেই। এতে তার পরিবারও তাকে সমর্থন করেছেন। ইতিমধ্যে “এন আর এস মেডিকেল কলেজ এবং হসপিটাল” এ লিখিত পরীক্ষা দিয়েছেন স্বর্ণালী। শুধু রেজাল্টের অপেক্ষা। প্রাণপণে তিনি চাকরি পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করছেন। শুধুমাত্র স্বর্ণালী নয় এবার ডোম পদে চাকরির জন্য স্বর্ণালীর মতো বহু উচ্চশিক্ষিত যুবক-যুবতীই আবেদন করেছেন। এ প্রসঙ্গে আপনাদের মূল্যবান মতামত আমাদের জানান।।

About Web Desk

Check Also

“পুষ্পা” ফিল্মের রক্ত চন্দন এর দাম জানেন কত? বিলুপ্ত এই চন্দন কীভাবে এল ফিল্মের সেটে? জানলে আপনিও চমকে যাবেন

সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে আল্লু আর্জুনের ফিল্ম “পুষ্পা”। এই ফিল্ম রক্ত চন্দনের কাঠ নিয়ে তৈরি। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.