Breaking News

ক্লাস 10 পাশ করার পর পরিবারের সবাই বলেছিল পড়াশোনা ছেড়ে দিতে, মা জেদ করে পড়াশোনা করিয়ে মেয়েকে বানালো IAS অফিসার

ইউপিএসসি হলো দেশের সবচেয়ে কঠিন এবং মর্যাদাপূর্ণ পরীক্ষা। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসে থাকে। এই পরীক্ষার প্রতিযোগিতা এত বেশি যে কেবলমাত্র কয়েক জন নির্বাচিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দরিদ্র ও কঠিন পরিস্থিতি থেকে আগত শিক্ষার্থী দের এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া কিছুটা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আজ আমরা আপনাকে যে ইউ পি এস সি পরীক্ষার্থীর কথা বলতে যাচ্ছি সে হলেন ছত্রিশগড়ের দান্তেওয়াদা জেলার বাসিন্দা।

এইখানে নকশাল হামলার খবর প্রতিদিনই শোনা যায়। এই জাতীয় জেলা থেকে দরিদ্র ও আতঙ্কের মুখোমুখি হয়ে তিনি প্রথমে আইপিএস অফিসার হয়েছিলেন এবং তারপরে আইএস অফিসার হয়ে তার দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। শুধু তাই নয় তিনি যখন ইউপিএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন তখন তিনি তার প্রিয়জনদের হারানোর শোকের মুখোমুখি হয়েছিলেন। আসুন জেনে নেয়া যাক নম্রতা কিভাবে সাহস না হারিয়ে ইউপিএসসি পরীক্ষার সাফল্য পেয়েছেন।

নম্রতা জৈন ছত্রিশগড়ের বাসিন্দা। তার বাবার নাম ঝনঝওয়ালাল এবং মাতার নাম কিরণ জৈন। তার বাবা একজন ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিনী ছিলেন। আমরা তার পরিবার আর্থিকভাবে খুব একটা ভালো ছিল না। সে প্রাথমিক শিক্ষা তার গ্রাম থেকে করেছিলেন এবং ছোটবেলা থেকেই সে পড়াশোনায় খুব ভালো ছিলো। সেখানে তিনি দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে চলে যান।

নম্রতা তার বাকি পড়াশোনা ভিলাই তে করেন এবং দিল্লিতে থেকে যান। সেখানে সে সম্পূর্ন পরিশ্রম এবং মনোযোগ দিয়ে ইউপিএস এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। নম্রতা’র পড়াশোনায় খুব ভাল ছিল তবে সে যে জেলা থেকে এসেছে সেখানে প্রতি লোকসান হা-ম-লা হয়। এই নকশাল হা-ম-লা গুলি তাকে খুব মানসিকভাবে য-ন্ত্র-ণা দিত। তিনি এই আ-ক্র-ম-ণে-র দ্বারা প্রভাবিত হয় সেখানকার পরিস্থিতি পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন যে যদি তিনি আইএএস অফিসার হন তবে তার এলাকার বিকাশ ঘটবে।

তিনি শিক্ষা পুষ্টি এবং মহিলাদের উপর নৃ-শং-স-তা নিয়ে কাজ করতে চান। নম্রতা প্রথমবার পরীক্ষা দিয়ে সাফল্য পাননি। কারণ তিনি এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ঠিকই কিন্তু ওই পরীক্ষার প্যাটার্ন সম্পর্কে জানতেন না। 2015 সালে তিনি প্রথম পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। কিন্তু তিনি পরীক্ষার থেকে শিক্ষা নিয়ে 2016 সালে আবার চেষ্টা করেন এবং নিম্ন মর্যাদার কারণে তিনি আইপিএস হওয়ার সুযোগ। তবে তার লক্ষ্য ছিল আইএএস অফিসার হওয়ার।

তাই তিনি ইউ পি এস সি পরীক্ষায় আবার বসেন 2018 সালে এবং দ্বাদশ তম স্থান অর্জন করে আইএএস অফিসার হন। নম্রতা জৈন বলেছেন যে, ইউপিএসসি পরীক্ষার জন্য আত্মবিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেছেন যে, “আপনার আত্মবিশ্বাস থাকা উচিৎ যে আপনি পরীক্ষায় সাফল্য পাবেন। ধৈর্য নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রম আপনাকে সফল করে তুলবে। একই সাথে পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। এটি আপনার সময় সাশ্রয় করবে। লেখার অনুশীলন করুন যাতে মেন পরীক্ষার সময় উত্তরগুলো ভালো ভাবে লিখতে পারেন।।”

About Web Desk

Check Also

দিব্যা ভারতীর জীবনে ছিল অনেক গোপন কাহিনী, জেনেনিন কি হয়েছিল 5 এপ্রিল 1993 এর রাতে

অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর নাম শুনলেই এক মিষ্টি মুখের মেয়ের কথা মনে পড়ে। খুব অল্প বয়সেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *