Breaking News

মুক্তোর ব্যবসায় দশগুণ লাভ, মাসে 30 হাজার টাকা খরচা করে পেয়ে যাবেন 3 লাখ টাকা ইনকাম,

এই লকডাউন এর পরিস্থিতির কারণে গত এক বছরে বহু মানুষের চাকরি চলে গেছে। আজ যারা ব্যবসা বা অন্যান্য কাজ করেন তাদেরও উপার্জন সেরকম ভাবে হচ্ছে না। উপার্জন থেমে থাকলেও খরচ কিন্তু থেমে নেই। যে কারণে সাধারণ মানুষকে হতে হচ্ছে চিন্তিত। এই লকডাউন এর সময় একদল মানুষের যেমন উপার্জন বেড়েছে, তেমনি অপর দিকে অন্যদল মানুষের উপার্জন তলানিতে এসে ঠেকেছে। যদিও কম ইনভেস্টমেন্টে বেশি লাভের অনেক ব্যবসা করা সম্ভব।

কিন্তু ব্যবসা করতে গেলে শারীরিক বলের থেকে বেশি প্রয়োজন মানসিক বল অর্থাৎ বুদ্ধির। বুদ্ধি থাকলেও ব্যবহার করতে চান না অনেকেই। আজ আমরা আপনাদের এমনই এক ব্যবসার ব্যাপারে বলতে এসেছি যাতে আপনারা খুব কম ইনভেস্টমেন্টে বেশি লাভ করতে পারেন। মুক্তা চাষের জন্য সবার প্রথমে প্রয়োজন জলাশয় যাতে সীপ দেওয়া যেতে পারে। আপনার কাছে যদি জলাশয় তৈরি করার মতো টাকা না থেকে থাকে তবে চিন্তার কোন কারণ নেই,

মুক্তা চাষের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে জলাশয় খোদাই করতে 50 শতাংশ খরচ দেওয়া হয়। যদি আপনি সরকারের কাছ থেকে সাবসিটি নিতে চান তাহলে আপনার গ্রামের প্রধান অথবা সেক্রেটারির সাথে আপনাকে যোগাযোগ করতে হবে। মুক্তার চাষ করে মুনাফা ভালো হয় তাই বর্তমানে চাষিরা মুক্তা চাষের দিকেই বেশি ইচ্ছা প্রকাশ করছেন। মুক্তার চাষ সবথেকে বেশি দক্ষিণ ভারত ও বিহারের দর্ভাঙা জেলায় হয়।

এখানে মুক্তার কোয়ালিটি ভীষণ ভালো হয়ে থাকে। এছাড়াও মধ্যপ্রদেশের হসংগাবাদ আর মুম্বাইতে মুক্তা চাষের জন্য ট্রেনিংও দেওয়া হয়ে থাকে। মুক্তা চাষের জন্য সবার প্রথমে পুকুর কাটার বেশি প্রয়োজন, যাতে করে বেশি পরিমাণে জল জমা করা যায় এরপর সীপগুলোকে জালের সাথে বেঁধে 10 থেকে 15 দিনের জন্য জলে ফেলে দিতে হবে। 15 দিন পর সীপ গুলোকে খোলার পর তার মধ্যে আচঁড়ানো হয় যাতে ভেতরে লেয়ার তৈরি হতে পারে, যার থেকে পরবর্তী সময়ে মুক্তা পাওয়া যাবে।

এরপর পুনরায় সীপ গুলিকে জলে ফেলে দিতে হবে। এই সময় থেকে বিশেষ করে জলের খেয়াল রাখতে হবে কারণ জলের পরিমাণ যদি কমে বা জলের পরিবেশে কোন পরিবর্তন হয় তাহলে সীপের ভিতর মুক্তা তৈরি হতে অনেক সময় নিয়ে নেবে। সব ঠিকঠাক থাকলে চাষি ভাইদের একটি সীপ তৈরি করতে 25 থেকে 35 টাকা মত লাগে আর একটি সীপে দুটো করে মুক্তা থাকে। একেকটি মুক্তার দাম ভারতীয় বাজারে দেড়শ থেকে দুইশ টাকা হয়ে থাকে।

সেক্ষেত্রে একেকটি সীপ থেকে চাষী ভাইরা কম করে 400 টাকা লাভ করতে পারেন। যদি একটি জলাশয় 1000 টি সীপ প্রতিপালন করা হয় সে ক্ষেত্রে খুব কম করে হলেও 600 থেকে 700 টা সীপ বেঁচে থাকতে পারে। চাষী ভাইরা এই মুক্তার চাষ করে এক সময়ে দুই থেকে তিন লাখ টাকা লাভ করতে পারেন। এছাড়া একবার যে জলাশয়টি খোদাই করা হয়েছে সেই জলাশয়ের ব্যবহারেই বারবার মুক্তা চাষ করা যেতে পারে। আর সেই জলাশয় তৈরির 50% খরচই সরকার দ্বারা প্রাপ্ত সেক্ষেত্রে চাষীদের লাভ আরো বেড়ে যায়। এই কারণে চাষি ভাইদের ওপর বেশি চাপও পড়ে না।।

About Web Desk

Check Also

দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন ছেলে, বাবার চোখে জল নিয়ে শেষবারের মতো স্যালুট জানালেন ছেলেকে…

উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বরে অবস্থিত ত্রিশূল পর্বতে পর্বতারোহণ অভিযানের সময় নৌবাহিনী লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রজনীকান্ত যাদব একটি হিমবাহের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *