Breaking News

ধেয়ে আসছে মহাপ্লাবন ধ্বংসের মুখে পৃথিবী?

বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কারণে এখন গোটা পৃথিবীর মানুষ এক বিপর্যয়ের মুখে। এমন ভাবেই চলতে থাকলে হয়তো এক দিন পৃথিবী সমুদ্রের তলায় বিলীন হয়ে যাবে। মানুষের ব্যবহার করা ফ্রিজ, এসি আর গাছ কেটে ফেলার কারণে পরিবেশে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কারণে বরফ গলতে শুরু করেছে।

যে পরিমাণে বরফ গলতে শুরু করেছে তা যদি এখনই আটকানো সম্ভব না হয় তাহলে অদূর ভবিষ্যতে এই পৃথিবীর অস্তিত্ব থাকবে কিনা তা প্রশ্নের। মানুষকে বহুবার বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে কিভাবে তারা নিজেদের জীবনের ছোটোখাটো অভ্যাস বদলিয়ে পৃথিবী -কে আবার আগের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।

কিন্তু মানুষ আজ ইলেকট্রনিক্স এর উপর এত বেশি পরিমাণে নির্ভর হয়ে পড়েছে যে তারা চেষ্টা করেও এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। এইসব তো আমাদের আগে থেকেই জানা। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় শোনা যাচ্ছে পৃথিবী ধ্বংসের কথা। আজকের আমাদের প্রতিবেদন এই নিয়েই।

ওহিও স্টেট ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর কসমোলজি এন্ড অ্যাস্ট্রোপার্টিক্যাল ফিজিক্সের গবেষক জ্যোতির্বিদ য়ি-কুয়ান চিয়াং জানিয়েছেন, কাকতালীয়ভাবে ব্রহ্মাণ্ড ও পৃথিবীর উষ্ণতা একই সাথে বেড়ে চলেছে কিন্তু এর সাথে একে অপরের কোন সংযোগ নেই।

বুঝতেই পারছেন পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি অর্থাৎ বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণ কোন মহাজাগতিক ঘটনা নয় বরং মানুষেরই কাজ। চিয়াং জানান ব্রহ্মান্ডে অভিকর্ষজ টানের কারণে মহাশূন্যের যাবতীয় ডার্ক ম্যাটার ও গ্যাস এক কেন্দ্রবিন্দুতে জমা হয়েছে।

এই কারণে বাড়তে থাকে ব্রহ্মান্ডের উষ্ণতা। ব্রহ্মাণ্ডের এই খুঁটিনাটি পরিবর্তনের কারণে হয়তো খুব শীঘ্রই এক ধ্বংসের সৃষ্টি হতে পারে। এই কারণেই বৈজ্ঞানিকরা মানুষকে প্রতিনিয়ত তৈরি থাকতে বলছে। যদিও ব্রহ্মাণ্ডের এই ধ্বংসের সাথে পৃথিবীর কোন যোগাযোগ নাও থাকতে পারে। তবুও সাবধানতা অবলম্বনই বুদ্ধিমানের কাজ।।

About Web Desk

Check Also

“পুষ্পা” ফিল্মের রক্ত চন্দন এর দাম জানেন কত? বিলুপ্ত এই চন্দন কীভাবে এল ফিল্মের সেটে? জানলে আপনিও চমকে যাবেন

সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে আল্লু আর্জুনের ফিল্ম “পুষ্পা”। এই ফিল্ম রক্ত চন্দনের কাঠ নিয়ে তৈরি। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.