Breaking News

বাবা গ্রামে আটা কল চালায় ছেলে হলেন প’র’মা’ণু বিজ্ঞানী, গর্বে বাবার মাথা উচু

আপনি গ্রামে থাকুন বা শহরে, নিম্নবিত্ত পরিবারের থেকে হোন বা উচ্চবিত্ত এসব কিছুই মূল্য পায় না যদি না আপনি নিজে পরিশ্রম করেন। এমনই একজন হলেন হিসার জেলার অন্তর্গত এক গ্রামের অশোক কুমার নামের এক ব্যক্তি। তাঁর বাবা গ্রামে আটা পেষণের কাজ করেন। কিন্তু তিনি আজ ভাবা এটোমিক রিসার্চ সেন্টারের পরমাণু বৈজ্ঞানিক।

অশোক কুমার মার্চ মাসে ভাভা এটোমিক রিসার্চ সেন্টারে রিক্রুট এর জন্য পরীক্ষা দেন এবং তাতে সফলতাও লাভ করেন। তাঁর এই সফলতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির CSR স্কিম -এরও হাত আছে। অশোকবাবুর পারিবারিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় এই স্কিমের সাহায্যে তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এছাড়াও তাঁর বিদ্যালয়ের এক গণিতের অধ্যাপকও তাঁকে অনেক ভাবে সাহায্য করেন।

রিসার্চ সেন্টারে পরীক্ষা হওয়ার পর তাঁদের ইন্টারভিউ হয়। ইন্টারভিউ -এর পর জানা যায় তিনি দ্বিতীয় স্থানে আছেন। তিনি বলেন ভারতবর্ষ থেকে মোট ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রীর চয়ন করা হয়। তার মধ্যে একজন ছিলেন তিনি। অশোকের এই সফলতায় তাঁর পরিবারের সকলে ভীষণ খুশি। তাঁর বাবা জানান যে অশোক গ্রামেরই সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন।

তাঁর পরিশ্রম আর প্রবল ইচ্ছের জন্য আজ তিনি এই সফলতা লাভ করতে পেরেছেন। অশোক তাঁর এই সফলতার শ্রেয় নিজের বাবা মাকে দেন। অশোক ছোটো থেকেই আব্দুল কালামের মতো বৈজ্ঞানিক হতে চেয়েছিলেন। অশোক স্কুল পাশ করার পর মেকানিক্যাল -এ বি.টেক করেন। এরপর ২০২০ সালে ভাবা এটোমিক রিসার্চ সেন্টারে পরীক্ষা দেন।

অশোক কুমার জানান তিনি রোজ ১২ ঘন্টা পড়াশোনা করতেন আর টিভি দেখতেন না। যখনই তাঁর মন বিচলিত হত তিনি আব্দুল কালামের জীবনী পড়তেন। ২০১৫ সালে অশোক জেইই মেন্স এর পরীক্ষায় পাশ করার পর ফরিদাবাদের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে এডমিশন নেন।

যার ফিস তাঁর গণিত শিক্ষক দেন। এরপর তিনি স্কলারশিপ পান। যার কারণে তাঁর অনেক সুবিধা হয়। এরপর তিনি ভালো ভাবে পড়াশোনার জন্য মাসির বাড়ি চলে যান। কারণ সেখানে অল্প লোক থাকার কারণে তাঁর পড়াশোনায় সুবিধা হত। তিনি রোজ খবরের কাগজ পড়তেন। অশোক আজ বহু মানুষের প্রেরণা।।

About Web Desk

Check Also

সৌন্দর্যের দিক থেকে দীপিকা পাডুকোনকে হার মানাবে রণবীর সিং এর বোন।

বিখ্যাত অভিনেতা রণবীর সিং তার ভিন্ন স্টাইল এবং উজ্জ্বল অভিনয়ের জন্য পরিচিত এবং তিনি প্রায়ই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *