Breaking News

এই দুই বন্ধু পুলিশের চাকরি করতে করতে পরীক্ষার প্রিপারেশন নিয়ে বিজয় কনস্টেবল থেকে IPS হলেন, ফিরোজ হলেন ACP

চাকরি পাওয়ার পরেও দিল্লির দুই কন্সটেবল পড়াশোনা করতে থাকেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলস্বরূপ আজ তাঁরা দুজনেই যথাক্রমে ACP আর IPS অফিসার। ২০১০ সালে ফিরোজ সিং গুর্জর আর ফিরোজ আলম দিল্লির আলাদা আলাদা থানায় কন্সটেবল -এর পদে নিয়োগ হন। চাকরি পেয়েও তাঁরা পড়াশোনা ছাড়েন না।

২০১৭ সালে বিক্রম সিং গুর্জর ৫৭৪ তম রাঙ্ক ও ফিরোজ আলম ৬৪৫ তম রাঙ্ক পান ইউপিএসসি পরীক্ষায়। ফিরোজের জন্ম হয় উত্তর প্রদেশের হাপুর জেলার আজমপুর দহপা গ্রামে। দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ফিরোজ উত্তর প্রদেশের ইন্টার কলেজে পড়ে এরপর তিনি দিল্লি পুলিশে কন্সটেবলের পদে নিয়োগ হন। এক ইন্টারভিউতে জানান চাকরির পাশাপাশি পড়াশোনা করা তাঁর জন্য সহজ ছিল না।

পাঁচ বার তিনি পরীক্ষায় অসফল হন। এরপর ২০১৯ সালে তিনি শেষবারের জন্য চেষ্টা করেন এবং সফলতা প্রাপ্ত করেন। আইপিএস বিজয় সিং গুর্জর ১৯৮৭ সালে রাজস্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি বাবা লক্ষ্মণ সিং কে চাষে সাহায্য করতেন। সাধারণ মানের ছাত্র বিজয় দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় ৫৪.৫% এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষায় ৬৭.২৩% পান।

এরপর সংস্কৃতে তিনি গ্র্যাজুয়েশন পাশ করেন। বিজয় ইউপিএসসি পরীক্ষার পড়াশোনা করা কালীন অন্যান্য পরীক্ষাও দিতে থাকেন এবং তাতে সফলতাও প্রাপ্ত করেন। পাঁচ ভাইবোন দের মধ্যে বিজয় তৃতীয় ছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি সীকর -এর ভাদবাসী গ্রামের সুনিতা কে বিয়ে করেন। ২০১০ সালে পুলিশে চাকরি পান বিজয়। এরপর ২০১৪ সালে আয়কর বিভাগ, দিল্লিতে নিয়োগ হন। আইপিএস হওয়ার আগে তিনি ৬ বার সরকারি চাকরি পান।।

About Web Desk

Check Also

“পুষ্পা” ফিল্মের রক্ত চন্দন এর দাম জানেন কত? বিলুপ্ত এই চন্দন কীভাবে এল ফিল্মের সেটে? জানলে আপনিও চমকে যাবেন

সম্প্রতি রিলিজ হয়েছে আল্লু আর্জুনের ফিল্ম “পুষ্পা”। এই ফিল্ম রক্ত চন্দনের কাঠ নিয়ে তৈরি। আজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.