Breaking News

করিশমা কাপুর ও রবীনা ট্যান্ডন এই কারনে একে অপরের শত্রু, অনেকদিন নিজেদের মধ্যে কথা বলেনা

বলিউডের বড় পরিচালকদের মধ্যে রাজকুমার সন্তশির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি এ পর্যন্ত আমাদের অনেক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। তার এই ছবিতে আন্তাজ আপনা আপনার নামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ছবিটিতে আমির খান, সালমান খান, রবীনা ট্যান্ডন এবং কারিশমা কাপুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তারা সবাই এই ছবিটি দুর্দান্ত কাজ করেছিলেন। কমেডি টাইমিং এর সময় দর্শকেরা হাসতে বাধ্য হয়েছিল। আজ এই ছবিটি দেখে ভক্তরা খুব খুশি হয়। আজ থেকে কয়েক মাস আগে ছবিটির পরিচালক রাজকুমার সন্তশি একটি সাক্ষাৎকারে তার তারকাদের সাথে সম্পর্কিত অনেকগুলি শোনা কাহিনী শেয়ার করেছিলেন।

ছবির 25 বছর পূর্ণ করার সময়। এই সময়ে রাজকুমার সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, ছবিটি শুরু করার সময় তাদের মনে কোন ধরনের গল্প ছিল না বা এর অভিনেতাদের সম্পর্কেও আমি ভাবি নি। তারা তখন ভেবেছিল আমির এবং সালমানের সাথে কাজ করা এবং যদি দুজনেই একই ছবিতে একসঙ্গে হাজির হন তবে কি না ভালো হবে!

এইভাবে তাদের দল আমির এবং সালমান খানকে সিলেক্ট করে এবং অভিনেত্রী হিসেবে রবীনা ট্যান্ডন এবং করিশমা কে সিলেক্ট করা হয়। এরশাদ এই প্রবীণ পরিচালক চলচ্চিত্রটির সময় তারকাদের মধ্যে ফাটল সম্পর্কে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন সালমান এবং আমির সবসময় সেটে একে অপরকে সাহায্য করতেন কিন্তু মেয়েরা একে অপরের সাথে কথাই বলতেন না।

আরো বলেছিলেন তারা যখন এই মুভির ক্লাইমেক্স দৃশ্যের শুটিং করছিলেন তখন রবিনা এবং করিশমা কে একটি খুঁটিতে বাধতে হয়েছিল। এমনকি সেই সময়ও তারা একে অপরের সাথে কথা বলেননি। তারপরে তাদের বলা হয়েছিল যে তারা যতক্ষণ না একে অপরের সাথে কথা বলছেন ততক্ষণ তাদের দড়ি খোলা হবে না।

এই লড়াই সম্পর্কে রবিনা একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন শুটিংয়ের সময় তাদের মধ্যে কেউ একে অপরের সাথে কথা বলত না। সেখানে কারিশমা একে অপরের সাথে মোটেই কথা বলেননি এবং সেই শুটিং চলাকালীন ছেলেরা সেই সময় তাদের বন্ধুত্ব করানোর অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি।।

About Web Desk

Check Also

দিব্যা ভারতীর জীবনে ছিল অনেক গোপন কাহিনী, জেনেনিন কি হয়েছিল 5 এপ্রিল 1993 এর রাতে

অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর নাম শুনলেই এক মিষ্টি মুখের মেয়ের কথা মনে পড়ে। খুব অল্প বয়সেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *