Breaking News

ইন্টারনেটের স্পিড কম, রাস্তার পাশে অনলাইনে ক্লাস করছে মেয়ে, বৃষ্টির মধ্যে ছাতা ধরে আছেন বাবা

এখন আমাদের দেশে কন্যা সন্তানকে ব্রাত্য হিসেবে ধরা হয়। বহু জায়গায় কন্যা সন্তানকে ভাসিয়ে দেওয়া হয় জলে। কিন্তু এখনো এমন অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে মেয়েকে পড়াশোনা করানোর জন্য কষ্ট করে যায় বাবা। এমনই একজন বাবার নাম হল নারায়ন। তার কাহিনী শুনলে আপনার চোখেও জল চলে আসবে।

কর্নাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলার সুলিয়া তালুকের প্রত্যন্ত বলাকা গ্রামের এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, প্রবল বৃষ্টির মধ্যে রাস্তার পাশে বসে রয়েছে একটি মেয়ে। সে অনলাইনে ক্লাস করছে। বৃষ্টি থেকে মেয়েকে বাঁচানোর জন্য তার মাথায় ছাতা ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন একজন বাবা।

এলাকার একজন সাংবাদিক, বাবা এবং মেয়ের এই ছবিটি তুলে ধরেছেন সকলের সামনে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, মেয়েটি প্রত্যেকদিন বিকেল চারটে হলেই ওখানে চলে আসে। বাড়িতে ইন্টারনেট ব্যবস্থা একেবারেই না থাকার কারণে প্রত্যেকদিন পড়াশোনা করার জন্য তাকে আসতে হয় এত দূরে।

রাস্তার পাশে বসে পড়াশোনা করতে বাধ্য হয় মেয়েটি। মহেশ সংবাদমাধ্যমকে বলেন যে, এটি বাবা এবং মেয়ের রোজকার রুটিন। তবে যখন ভারী বর্ষণ হয় তখন মেয়েটির বাবা তার মাথায় ছাতা ধরে থাকেন যাতে মেয়ের পড়াশোনার বিঘ্ন না ঘটে। এমন পড়ুয়াদের যাতে কোনোরকম সমস্যা না হয় তার জন্য যথাযথ ইন্টারনেট ব্যবস্থা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন মহেশ।

যাতে সেই এলাকার মানুষদের বাইরে বেরিয়ে পড়াশোনা না করতে হয় এবং তার জন্য প্রশাসনকে পদক্ষেপ নেবার কথা বলেছেন মহেশ। অনলাইন ক্লাস করার জন্য স্থানীয় পরিবারের ভরসা বিএসএনএল নেটওয়ার্ক। মাঝে মাঝেই নেটওয়ার্কের বিভ্রান্ত দেখা যায়।

অনলাইন ক্লাস করতে অন্তত দরকার থ্রিজি নেটওয়ার্ক যা সেখানে নেই। এই প্রসঙ্গে বিএসএনএল এর ফিক্সার মুখ্য জেনারেল ম্যানেজার জি আর রবি বলেছেন, যে সমস্ত এলাকায় ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। সে সমস্ত এলাকায় ভারত এয়ার ফাইবার ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন।।

About Web Desk

Check Also

রাস্তায় টেনে বৃদ্ধা মাকে মারধর করছে ছেলে, বাঁচাল পোষ্য কুকুর, ভিডিও ভাইরাল…

কুকুর মানুষের অন্যতম অনুগত প্রাণী। তারা কখনোই তার মালিকের আনুগত্য হারায় না। আপনি নিশ্চয়ই সিনেমাতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *