Breaking News

সত্যি কারের ভালোবাসার নজির, 7 বছর ধরে একে অপরকে ভালোবেসে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন দুই বান্ধবী

প্রেম মানে কি? এই প্রশ্নের উত্তর দাওয়া খুব মুশকিল কারণ ভালোবাসার অর্থ সবার কাছে আলাদা। ভালোবাসা অনেক ধরনের হয়। ঈশ্বরের প্রতি ভালোবাসা, বাবা মায়ের প্রতি ভালোবাসা, বাচ্চাদের প্রতি ভালোবাসা, টাকার প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি। এই সমস্ত ক্ষেত্রে একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের মধ্যে প্রেম সর্বাধিক হাইলাইটেড করা হয়। একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে একে অপরের প্রেমে পড়লে তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।

বর্তমানে আজও ভারতে এমন অনেক পরিবার রয়েছে যেখানে প্রেম করে বিয়ে গৃহীত হয় না। তারা এটিকে তাদের সমাজে নাককাটার সমতুল্য মনে করেন। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে প্রেম করে বিয়ের কথাটি হজম করা খুব কঠিন। যদি তাদের মেয়ে ছেলের পরিবর্তে কোন মেয়ের প্রেমে পড়ে তাহলে কি হবে আশা করি বুঝতে পারছেন!

কোন মেয়ে যদি এসে বলে যে তার কোনও ছেলেকে পছন্দ নয় তার পছন্দ একটি মেয়েকে এবং সে সেই মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায় অবশ্যই এই খবর শুনে বাবা-মা হতবাক হয়ে যাবেন। কিন্তু যখন দুজন লোক একে অপরের প্রেমে পড়ে তখন তারা বর্ণ, ঐশ্বর্য এবং দারিদ্রতা কোনটাই দেখেন না এমনকি অন্য ব্যক্তির লিঙ্গ দেখেন না।

আজকের সময় একটি ছেলের সাথে একটি ছেলের এবং একটি মেয়ের সাথে একটি মেয়ের প্রেমে পরা সাধারন ব্যাপার। তবে এটি এখনো ভারতীয় পরিবারের জন্য একটি বড় বিষয়। হরিয়ানা গুরুগ্রাম এবং ঝাজেলা থেকে দুই মেয়ের এই প্রেমের গল্প টি জানুন। এখানের একটি মন্দিরে বিয়ে করে 19 এবং 20 বছর বয়সী দুটি মেয়ে তাদের পরিবারকে অবাক করে দিয়েছে।

তারা দুজনেই গত সাত বছর ধরে বন্ধু ছিলেন এবং তাদের বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হয়। তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে এই প্রেমের কথাটি বলেছিলেন কিন্তু পরিবার এই ভালোবাসা এবং বিবাহের ধারণা সম্পর্কে ভুলে যেতে বলেছিলেন। এর পরে তারা দুজনেই পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে মন্দিরে ঈশ্বরের সামনে হিন্দু আচরণ অনুসারে আরে বিয়ে করেছিলেন।

পাটৌদির মেয়েটি 10 দিন আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে তার বাবা থানায় মেয়ের নিখোঁজের ডায়েরি করেন। পুলিশ যখন মেয়েটিকে পেয়েছে তখন সে তার বন্ধুর কাছ থেকে তার বিয়ের বিষয়টি জানান। বলা হয় উভয় মেয়ে একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন এবং তাদের বাবা-মা এই বিষয়টিকে সমাজের বিরুদ্ধে বলেছিলেন, তার পরেই উভয় বান্ধবী এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

হেলিনমাদি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মহেশ কুমার বলেছেন যে, আমরা দুজন মেয়েকে শনিবার পাতৌদির স্থানীয় আদালতে হাজির করেছি। আদালত কে জানানো হচ্ছে যে উভয় মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক এবং মন্দিরে বিয়ে করেছেন। মেয়েদের পরিবারের সদস্যরা তাদের বোঝানোর জন্য অনেক চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তারা দুজনে একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যাইহোক এই বিবাহ সম্পর্কে আপনার কী মতামত অবশ্যই আমাকে জানাবেন।।

About Web Desk

Check Also

বিস্ময়কর ঘটনা: ৪ হাত-পা ওয়ালা শিশু জন্ম নিতেই গ্রামে ঘটে গেলো এই ঘটনা!

প্রকৃতির এক অনন্য রূপ দেখা গেলো সোমবার বিহারের কাটিহার সদর হাসপাতালে। যেখানে চার হাত-পা বিশিষ্ট …

Leave a Reply

Your email address will not be published.