Breaking News

গঙ্গা দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল সদ্যজাত কন্যা শিশু, গ্রামবাসীরা নিয়ে গেল বাড়িতে, ভাইরাল ভিডিও

উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল উত্তরপ্রদেশের গাজীপুর জেলায় যখন গঙ্গা নদীতে প্রবাহিত একটি কাঠের বাক্সে একটি 21 দিনের নিষ্পাপ শিশুকে পাওয়া যায়। ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের সদর কোতোয়ালী এলাকার দাদ্রি ঘাটের তীরে। গঙ্গার প্রবাহিত বাক্স থেকে মেয়েটির কান্নার আওয়াজ শুনে এক জন মাঝি যখন এটি খুললেন তিনি নির্বাক হয়ে গেলেন।

বাক্সে একটি বাচ্চা মেয়েকে দেবদেবীর ছবি এবং রাশিফল দিয়ে কাপড়ে জড়িয়ে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর পুলিশকে এ বিষয়ে জানানো হয় এবং পুলিশ এই বাচ্চাটিকে আশা জ্যেতি কেন্দ্রে নিয়ে গেছে এবং তদন্ত চালাচ্ছে। বলা হচ্ছে যে একজন মাঝি দাদরি ঘাটে গঙ্গার তীরে একটি কাঠের বাক্স থেকে একটি শিশুর কান্না শুনতে পান।

যখন তিনি কাছে গেলেন দেখলেন বাক্সের ভেতর থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে। ততক্ষণে আশেপাশে কয়েকজন লোক জড়ো হয়েগেছিল। যখন বাক্সটি খোলা হয় সবাই অবাক হয়ে। বাক্সের ভেতরে একটি শিশু অনবরত কেঁদেই চলছিল। আশ্চর্য্যের বিষয় হলো বাক্সটিতে দেবদেবীর ছবি এবং একটি রাশিফল ছিল যেটি কোন মেয়ে সন্তানের হতে পারে।

রাশিফলের মেয়ে সন্তানের নাম লেখা হয়েছে গঙ্গা। মেয়েটি পুরোপুরি সুস্থ বলে জানা গেছে। মাঝিটি কাঠের বাক্সে পাওয়া বাচ্চা মেয়েটিকে তার বাড়ি নিয়ে যায়। তাদের পরিবার বাচ্চাটিকে বড় করতে চেয়েছিলেন কিন্তু স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানায়। যার পড়ে তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের দল সেই মাঝির বাড়িতে পৌঁছে মেয়েটিকে আশা জ্যোতি কেন্দ্রে নিয়ে যায়।

বর্তমানে গঙ্গার পাওয়া এ মেয়েটিকে ঘিরে এই অঞ্চলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গাজীপুর জেলার গঙ্গা নদীর কাঠের বাক্সে নবজাতককে নিয়ে ইউপি সরকার বলেছেন যে, তারা মেয়েটির যত্ন নেবে। সিএম যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন যে মাঝির মাধ্যমে মে সন্তানকে বাচাঁনো মানবতার এক অনন্য উদাহরণ। রাজ্য সরকার তাদের ধন্যবাদ জানাবেন এবং তাদের আবাসনের সুবিধা দেবেন। এর বাইরে অন্যান্য যোগ্য স্কিমগুলি থেকে তাকে অবিলম্বে উপকৃত করা হবে।।

About Web Desk

Check Also

রাস্তায় টেনে বৃদ্ধা মাকে মারধর করছে ছেলে, বাঁচাল পোষ্য কুকুর, ভিডিও ভাইরাল…

কুকুর মানুষের অন্যতম অনুগত প্রাণী। তারা কখনোই তার মালিকের আনুগত্য হারায় না। আপনি নিশ্চয়ই সিনেমাতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *