Breaking News

মানবিক দিক ভারতীয় সেনার, পথ ভুলে ভারতে প্রবেশ করেছিল 8 বছরের পাকিস্তানি শিশু খাওয়ানোর পর তাকে ফেরত পাঠালো, BSF জওয়ানরা

ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্ব নিয়ে সকলেই কম বেশি জানেন আশা করি। ভারত-পাকিস্তানের শত্রুতার অনেক দৃষ্টান্ত থাকলেও সহৃদয়তারও দৃষ্টান্ত দেখা যায়। এমনই এক ঘটনা আজ আপনাদের জানাচ্ছি। ভারত-পাকিস্তান বর্ডারে কর্তব্যরত ভারতীয় BSF সেনা এমন এক কাজ করেন যা প্রশংসনীয়।

একটি আট বছরের বাচ্চা ছেলে রাজস্থানের বাড়মের -এ ভুলবশত বর্ডার পার করে ভারতে চলে আসে এবং ভারতীয় সেনার কর্মীদের দেখে ভয় পেয়ে কাঁদতে থাকে। শিশুটিকে কাঁদতে দেখে ভারতীয় সেনার কর্তব্যরত কর্মীরা তাকে সমস্ত কিছু জিজ্ঞেস করেন আর আসল ঘটনা সম্পর্কে অবগত হন।

সে জানায় যে তার নাম করিম খান। তার বাড়ি পাকিস্তানের অন্তর্গত ভারপারকর জেলার নাগরপারকর-এ। সে ভুলবশত বর্ডার পার করে ভারতে প্রবেশ করেছে। করিম খানের থেকে পাওয়া তথ্য তাঁরা নিজেদের সিনিয়রদের জানান এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্সকেও এই সম্পর্কে অবগত করা হয়।

এরপর ভারতীয় সেনা আর পাকিস্তানি রেঞ্জার্স -এর মধ্যে প্রায় ঘন্টা দুয়েক মিটিং হয় করিমকে নিয়ে। ভারতীয় সেনা নিজেদের মানবতার পরিচয় দিয়ে করিম খানকে পাকিস্তানে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সন্ধ্যা ৭ টা বেজে ১৫ মিনিটে তাকে পাকিস্তানি রেঞ্জার্সদের দিয়ে দেওয়া হয় যাতে সে নিজের পরিবারের কাছে যেতে পারে।

তবে BSF কর্মীরা তাকে খাবার খাইয়ে আর জল পান করিয়ে অতিথি সৎকার করতে ভোলেননি। আপনাদের জানার প্রয়োজনে বলি ভারতের পশ্চিম ভাগে রাজস্থান , তার পশ্চিম দিকে এমন ৪ জেলা আছে যার সীমা ভারতীয় অন্তরাষ্ট্রীয় বর্ডারের সাথে যুক্ত। এই জেলাগুলি হল বাড়মের, জয়সলমের, বীকানের আর গঙ্গানগর।

এর মধ্যে থেকে জয়সলমের-এর সীমা ৪৬৪ কি.মি. পর্যন্ত পাকিস্তানের সাথে যুক্ত। আর বাড়মের জেলার ২২৮ কি.মি. পাকিস্তানের সাথে যুক্ত। এমনই এক ঘটনা পাকিস্তানেও ঘটে যখন বাড়মের জেলার বিজরাড় থানার অন্তর্গত এক ১৯ বছরের বাসিন্দা গেমারাম মেগবাল ২০২০ সালের নভেম্বরে করিমের মতই ভুল করে পাকিস্তানে চলে যায় কিন্তু এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার তাকে ফিরিয়ে দেয়নি। এই দুটি ঘটনা থেকে আপনারা ভারতীয় সেনার মানবিক দিক দেখেছেন আশা করি।।

About Web Desk

Check Also

দিব্যা ভারতীর জীবনে ছিল অনেক গোপন কাহিনী, জেনেনিন কি হয়েছিল 5 এপ্রিল 1993 এর রাতে

অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর নাম শুনলেই এক মিষ্টি মুখের মেয়ের কথা মনে পড়ে। খুব অল্প বয়সেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *