Breaking News

অজয় চায়ের দোকান ছেড়ে বাড়িতেই অ্যালোভেরা চাষ শুরু করেছে , অ্যালোভেরা দিয়ে 47 ধরনের পণ্য তৈরি করে মাসে লাখ টাকা আয়

কয়েক বছর আগেও মানুষ, অ্যালোভেরার সম্পর্কে আজকের মতো এতটা সচেতন ছিলেন না। তবে বর্তমানে এর ব্যবহার বাড়ছে। অ্যালোভেরা গাছ ঘৃতকুমারী নামেও পরিচিত। এটিকে ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া, বিভিন্ন জিনিস যেমন শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, সাবান, টুথপেস্ট ইত্যাদি তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়। এই অ্যালোভেরা হল এমন একটি ব্যবসা যার থেকে ভাল আয় করা যায়।

এই অ্যালোভেরার চাষ করেই, রাজস্থানের বাসিন্দা অজয় তার ভাগ্যের পরিবর্তন করেছিল। তিনি আগে চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আর এখন অ্যালোভেরার চাষ এবং অ্যালোভেরার 47 ধরনের পণ্য তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন। তিনি যখন খুব ছোট ছিলেন, তখন তার বাবা মারা যায়। বাড়ির আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারণে, তিনি বেশি দূর লেখাপড়া করতে পারেননি।

তিনি যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়তেন, তখন একটি চায়ের দোকানে কাজ করা শুরু করেছিলেন। তার একবছর পরে, তিনি নিজের একটি চায়ের দোকান খুললেন। তিনি সেখানে দিনরাত এক করে কাজ করতেন। এবং ভাবতেন যে, কিভাবে তিনি তার অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটাবে? এরপর অজয় একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছিলেন, তখনই তিনি পত্রিকায় অ্যালোভেরা চাষ সম্পর্কে পড়েন।

আর সেই সময়, অ্যালোভেরার পণ্যগুলি বাজারে বেশ ভালোই চলছিল। তাই অজয় ঠিক করেছিলেন যে, তার পৈত্রিক 2 বিঘা জমিতেই তিনি এই অ্যালোভেরার চাষ শুরু করবেন। এই অ্যালোভেরা চাষের জন্য অ্যালোভেরা গাছের দরকার, তাই অজয় তার আশেপাশের লোকেদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, এই অ্যালোভেরা গাছ কোথায় পাওয়া যাবে? তখন তাঁকে একজন বলেছিল যে, চুরু জেলার একটি গ্রামের কবরস্থানে প্রচুর অ্যালোভেরা গাছ আছে।

অজয় সাথে সাথেই দুজন লোককে নিয়ে সেই কবরস্থানে যায়। এবং ট্রাক্টর-ট্রলির সাহায্যে সেখান থেকে গাছগুলিকে তুলে তার জমিতে নিয়ে আসে। তিনি তার জমিতে এই গাছগুলি লাগিয়েছিলেন এবং তাদের যত্ন নিয়েছিলেন। তার প্রথম ফলনটি এক বছরের মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। তবে তিনি, অ্যালোভেরা কিনবে এমন কোনো গ্রাহকের খুঁজে পায়নি। এই অ্যালোভেরা গাছ কে বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে তিনি অনেক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

তিনি এই অ্যালোভেরা প্রায় দু’বছর বিক্রি করতে পারেননি। এরপরে তিনি অর্থ উপার্জনের জন্য, অ্যালোভেরার বিভিন্ন পণ্য যেমন- শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, সাবান, ক্রিম এবং ফেসওয়াশ ইত্যাদি প্রস্তুত করে বিক্রি করা শুরু করলেন। তারপর দু-একটি কোম্পানিও তার কাছ থেকে পণ্য কেনা শুরু করল। বর্তমানে তার ব্যবসা এখন ভালোই চলছে। অজয় যেসব পণ্য তৈরি করত, তার মধ্যে অ্যালোভেরা লাড্ডু সবচেয়ে ভালো বিক্রি হত। যা প্রতি কেজি 350 টাকা দামে বিক্রি হয়।

অজয় বলেছেন যে, তিনি যখন অ্যালোভেরার চাষ শুরু করেছিলেন তখন তার কাছে কিছুই ছিলনা। কিন্তু তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে এই চাষ শুরু করেছিলেন এবং তাতে সফলও হয়েছিলেন। আপনি যদি অজয়ের এই গল্পটি পছন্দ করে থাকেন এবং তার কাছ থেকে অ্যালোভেরা চাষ সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে চান, তবে নিচে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করুন “নম্বর- 9672682565″।।

About Web Desk

Check Also

শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান এর সাথে ডেট করেছিলেন জুহি চাওলার মেয়ে, জল্পনা তুঙ্গে, অবশেষে মুখ খুললেন অভিনেত্রী…

শাহরুখ খানকে বলিউডের বাদশা বলা হয় এবং বিখ্যাত অভিনেত্রী জুহি চাওলাও একসময় দর্শকদের হৃদয়ে রাজত্ব …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *