Breaking News

বিয়ের গয়না নিয়ে পালিয়ে ছিল নববধূ, শ্বশুর বাড়ির লোক এমন কিছু করল, কনে থানায় এসে সোনা ফেরত দিয়ে কাঁদতে শুরু করল

মধ্যপ্রদেশে বিয়ের পরে একটি কনে তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় এবং পালানোর সময় সে গয়না এবং অর্থ নিয়ে চলে যায়। যার পড়ে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে এবং তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশকে দাবি জানায়। এদিকে হঠাৎ মেয়েটি নিজে থেকে থানায় পৌঁছে গয়না ও টাকা ফেরত দেয়, তবে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে মানতে রাজি হননি।

খবরে বলা হয়েছে সুরজিৎ গত 8 মে পৌর এলাকার খেড়িয়া গ্রামে বিয়ে করেছিলেন। সুরজিৎ বিয়ের পর আড়ম্বরপূর্ণভাবে তার কনেকে নিয়ে বাড়ি এসেছিল। কিন্তু বিয়ের কয়েকদিন পরে মেয়েটি বাড়িতে রাখা সমস্ত টাকা এবং গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। যার পড়ে সুরজিৎ মাহুর পরিবার সেই মেয়েটির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে এবং মেয়েটির পরিবার কে জানায়।

অভিযোগটি নথিভুক্ত করার সময় সুরজিৎ পুলিশকে জানান তুষিপুরা মোরেনা গ্রামের বাসিন্দা জ্যোতির সাথে তারা 8 মে বিয়ে হয়। 13 মেয়ে জ্যোতি তার গয়না এবং বাড়িতে থাকা টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং তারপরেই জ্যোতির পরিবারের সদস্যদের কেউ ডেকে আনা হয়। সেখান থেকে জানা যায় জ্যোতি তাদের বাড়িতেও যায়নি।

দীর্ঘদিন জ্যোতির সন্ধান না পেয়ে পুলিশের কাছে সাহায্য চায় সুরজিৎ ও তার পরিবার। কিন্তু পুলিশ কিছুই করেনি। তারপর যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি দেখানো শুরু করে তখন পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে। এদিকে জ্যোতি থানায় পৌঁছে সমস্ত টাকা ও গহনা ফেরৎ দিয়ে দেয়। যদি পুলিশকে জানিয়েছিল যে সে কারো সাথে পালায়নি। সে আরো পড়াশোনা করতে চেয়েছিল কিন্তু তাঁর পরিবারের লোক তাকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেয়।

বিয়ের পর তিনি পালিয়ে যান দিল্লিতে। তবে খবরের কাগজে প্রকাশিত সংবাদ পড়ে তিনি ফিরে এসেছেন। শনিবার থানায় পৌঁছে জ্যোতি পুলিশকে জানিয়েছেন যে তিনি দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন এবং আরো পড়াশোনা করতে চান এই কারণেই তিনি এই সমস্ত কাজ করেছে। পুলিশ এ ব্যাপারে সুরজিৎ এর পরিবারকে জানায়।

তারা পুলিশ স্টেশনে এসে সমস্ত গয়না নিয়ে নেন কিন্তু জ্যোতি স্বীকার করেন না। একই সময় জ্যোতি নিজের পরিবারের কাছে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে। তাই পুলিশ ফোন করে তার অভিভাবকদের থানায় আসতে বলে কিন্তু তারাও জ্যোতিকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। জ্যোতির স্বামী এবং মা-বাবা তাকে তাদের সাথে রাখতে অস্বীকার করেন যার কারণে তিনি এখন নারী নিকেতনে রয়েছে।।

About Web Desk

Check Also

বিস্ময়কর ঘটনা: ৪ হাত-পা ওয়ালা শিশু জন্ম নিতেই গ্রামে ঘটে গেলো এই ঘটনা!

প্রকৃতির এক অনন্য রূপ দেখা গেলো সোমবার বিহারের কাটিহার সদর হাসপাতালে। যেখানে চার হাত-পা বিশিষ্ট …

Leave a Reply

Your email address will not be published.