Breaking News

চোখে দেখতে পায় না,রেলওয়ে চাকরি দেবেনা বলে না করে দিয়েছিল,আজ নিজের চেষ্টায়, কঠোর পরিশ্রমে ভারতের প্রথম অন্ধ IAS অফিসার…… প্রাঞ্জল

IAS প্রাঞ্জল পাটিল এর success story: চোখ আমাদের শরীরের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যে অন্ধ সেই বুঝতে পারে এ ই অমূল্য অঙ্গ দুইটি কত মূল্যবান। নেত্র হীন ব্যক্তির IAS পরীক্ষা য় উত্তীর্ণ হওয়া খুব গৌরব এর কথা। প্রাঞ্জল এর পরিশ্রম আর একাগ্রতা র কথা ভাবলে অবাক হয়ে যেতে হয়। আজ আমরা যার কাহানী লিখছি সে হলেন আমাদের দেশের প্রথম নেত্রহীন IAS অধিকারী। বেশির ভাগ লোক এই পরীক্ষা য় উত্তীর্ণ হতে পারে না। প্রাঞ্জল এর টো চোখ হী নেই।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এই পরীক্ষা য় কিভাব উত্তীর্ণ হলো প্রাঞ্জল। মহারাষ্ট্র রাজ্যের ছোট্ট একটি শহর উল্লাস নগর সেখানে থাকতো প্রাঞ্জল । পড়াশোনা র খুব শক ছিল ছোটো থেকেই। ছোটো বেলা য় অর চোখ দুটি একদম ঠিক ছিল। অ্যাকসিডেন্ট এর পর ওর জীবন টা বদলে যায়।যখন প্রাঞ্জল ক্লাস six এ পড় তো তখন খেলতে খেলতে সহপাঠী তার চোখে পেন্সিল ঢুকিয়ে দিল তখন একটা চোখ খারাপ হয়ে গেছিল।

তার ২ বছরে র মধ্যে আরেকটা চোখ ও চলে যায়। তারপর একটু ভেঙে পরে ছিলেন। কিন্তু হার মানেনি। খুব পরিশ্রম করে IAS হয়। অন্যের ওপর ভরসা না করে ব্রেন লিপির মাধ্যমেই আবার পড়াশোনা শুরু করে। খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করে।এক technology র সাহায্য ও পড়াশোনা করতো একটা software মাধ্যমে ও শুনে শুনে পড়ত। ওই software টা টে pdf দিয়ে দিলে software টা পড়ে শুনিয়ে দিত এভাবে IAS er janya তৈরি হয়েছিলো।

প্রাঞ্জল দশম শ্রেণী মুম্বাই এর ফাদার এর কমলা মেহতা স্কুল থেকে করেছিল। এখানেই শিখেছিল ব্রেন লিপি। তারপর চান্ডবাই কলেজ থেকে ১২ পাস করে। আর সেন্ট জিভায়োর থেকে graduation টা করে। দিল্লী র JNU থেকে এম এ , এম ফিল, PHD ডিগ্রী নেয়। তখন থেকেই স্বপ্ন ছিল আইএএস হওয়ার তাই তখই থেকেই পরীক্ষার জন্য তৈরী হচ্ছিলো।এছাডাও ও বিভিন্ন সরকারী চাকরীর পরীক্ষা দিলো। পাস করলেও নেত্র হীন হওয়ার জন্য চাকরি গুলো হইনি। ২০১৭ টে IAS officer হয় এবং এখন তিরুবন্দাপুরা তে কেরোল এ কার্যরত আছেন।

About admin

Check Also

দেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট পদে মেয়ে হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করলেন মহিমা.…জেনে নিন তার সফলতার গল্প…

আমাদের দেশে মহিলা ও কন্যারা পরিবারের দায়িত্বের পাশাপাশি দেশের দায়িত্ব পালন করছে। অতি ক্ষেত্রে তারা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *