Breaking News

দেরাদুনের বিজনেস ম্যাম:- 50 বছর বয়সে কোম্পানি চালু করে প্রতিবছর দু’কোটি টাকা আয় করেন উনি

ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়, এই কথাটি আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন। যদি আপনার দৃঢ় ইচ্ছা থাকে তাহলে সাফল্য অবশ্যই আসবে, সে আপনি বাচ্চাই হন বা বুড়োই হন। বয়স আপনাকে কোনোভাবেই বেঁধে রাখতে পারেনা। আজ আমরা এরকমই দুজন মায়ের গল্প বলতে যাচ্ছি, যারা তাদের বয়সকে উপেক্ষা করে কঠোর পরিশ্রম দিয়ে সাফল্য অর্জন করেছিল। এনারা হলেন নিশা গুপ্ত এবং গুড্ডি থাপলিয়াল।

এনারা প্রায় তিন বছর আগে নিজেদের বাড়ি থেকেই একটি ব্যবসা শুরু করেছিলেন, এবং সেই ব্যবসা থেকেই এখন তারা প্রতিবছর 2 কোটি টাকা আয় করেন। এই নিশা গুপ্ত ছিলেন একজন স্নাতক পাস করা মহিলা। নিশা প্রথমে তার বাড়ির দোকানে কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস এবং উপহার বিক্রি করতেন, আর সেখান থেকেই তিনি জানতে পারেন যে, কিভাবে ব্যবসা করা হয়? তবে গুড্ডি থাপলিয়াল মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন।

তিনি যখন এই ব্যবসা শুরু করেছিলেন, তখন তার কোন অভিজ্ঞতাও ছিলো না। নিশা গুপ্তের সন্তানেরা আইটিতে কাজ করতেন, তারাই এনাদের অনলাইনে ব্যবসা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এদিকে গুড্ডি থাপ্লিয়াল ও নিশা গুপ্তের সাথে ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। এরপরে দুজনেই একসাথে ব্যবসা করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেন। তারপর 2017 সালে, এনারা নিজেদের অনলাইনে গিফট প্লাটফর্ম তৈরি করে সেখানে কাজ করা শুরু করলেন।

যেহেতু অনলাইন বাজারে এই উপহার আইটেমগুলির উপর অনেক প্লাটফর্ম ছিল, তাই এটি তাদের জন্য একটু কঠিন প্রতিযোগিতা ছিল। এমন পরিস্থিতিতে তারা তাদের উপহারের দোকানটিকে কিভাবে অন্যদের থেকে আলাদা রাখবে এবং কিভাবে গ্রাহকদেরকে তাদের দোকানের প্রতি আকৃষ্ট করবে সেই নিয়ে ভাবতে শুরু করেছিল। এই দুজন মা একসাথে এই সমস্যার সমাধানও খুঁজে বের করেছিল।

তারা তাদের ওয়েবসাইটে যে জিনিসগুলো রাখত সেগুলি অন্যান্য ওয়েবসাইটের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হত। ধীরে ধীরে তাদের ব্যবসা বৃদ্ধি পায়, এবং আজ তারা দুজনেই এই ব্যবসাতে খুব সফলও হয়েছেন। তিনি তার ওয়েবসাইটে 99 টাকা থেকে শুরু করে 13000 টাকার জিনিসও বিক্রি করেছেন। এই দুজন মায়ের সাফল্য আমাদেরকে শিখিয়েছে যে, বয়স কোনো কিছুতেই বাধা হয়ে দাড়ায় না, মনের ইচ্ছেটাই হলো সবকিছু।।

About Web Desk

Check Also

দিব্যা ভারতীর জীবনে ছিল অনেক গোপন কাহিনী, জেনেনিন কি হয়েছিল 5 এপ্রিল 1993 এর রাতে

অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর নাম শুনলেই এক মিষ্টি মুখের মেয়ের কথা মনে পড়ে। খুব অল্প বয়সেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *